এই রাতের সাক্ষী বেহায়া বাতাস—
নিশ্চুপ দেয়াল জানে, কতখানি আড়াল করি নিজেকে।
ছিয়াশি লক্ষ পর্দার পেছনে গিয়ে
দু'হাতে ঝাপটে ধরে তোমাকে দেই এক গভীর চুমু—
অথচ দ্যাখো লীলা, চুমুর শব্দেই নাকি ভেঙে পড়ে
পাড়ার সমস্ত ঋষিদের ধ্যান।
এমন নেশা তো নেই মদিরায়, তবু কেন হাতের স্পর্শে
জন্ম নেয় স্ফটিকের গন্ধ?
অযথাই শাবানগুলো গলে পড়লো জলে—
কে যেন ভাবে,
ঘষে ঘষে তুলে ফেলা যায় বেবাক কলঙ্কের দাগ।
যে ঘাটে ডুবে যায় মন্দিরের বেদী,
সেখানেই রোজ সকালে
কি মনে করে পাপ ধুতে যাও মহালতা ঈশ্বরী?