আমি কিছুই লিখতে পারি না
ফুল লিখতে গেলে কাঁটা হয়ে যায়।
পাহাড় লিখলে কলমের নিব থেকে বেরিয়ে আসে আস্ত এক সমুদ্র।
একটা সুশৃঙ্খল পৃথিবীর কথা লিখতে গেলে আঁকড়ে ধরে রাজ্যের ক্ষুধা।
ক্লান্ত শরীরে ভর করে সমস্ত অনাহারী শিশুদের দীর্ঘশ্বাস।
যদি লিখি গোলাভরা ধান, গোয়ালভরা গরু আর পুকুরভারা মাছের কথা;
খাতা জুড়ে নেমে আসে শতাব্দীর দুর্ভিক্ষ।
আম্মার মুখে হাসি লিখতে গেলে হাত চলে যায় শূন্য পকেটে।
যখন ভালোবাসা লিখি;
চোখে ভেসে উঠে অজস্র ভাঙা হৃদয়ের প্রতিচ্ছবি।
নিজেকে লিখলে তোমার কথা মনে পড়ে।
আর তোমাকে লিখতে গিয়ে ভুল করে লিখে ফেলি নিজের দুঃখগুলো।
আমার আর কিছুই লেখা হয়ে উঠে না
আমার হাত অবশ হয়ে আসে।